ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শনিবার ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, সময় : ৩:৩৫ পিএম

২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে টিকিটের দাম আকাশ ছুঁয়েছে। ফিফার অফিশিয়াল রিসেল (পুনর্বিক্রয়) সাইটে ফাইনালের চারটি টিকিট বিক্রির জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়েছে, যার প্রতিটির দাম ধরা হয়েছে প্রায় ২৩ লাখ ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৮ কোটি ২১ লাখ টাকা)।


আগামী ১১ জুন যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় শুরু হবে বিশ্বকাপ। ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ১৯ জুলাই নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে। সেখানকার গ্যালারির নিচতলার ১২৪ নম্বর ব্লকের ৪৫ নম্বর সারিতে গোলপোস্টের পেছনের ৩৩ থেকে ৩৬ নম্বর আসনগুলোর প্রতিটির দাম হাঁকা হয়েছে ২২ লাখ ৯৯ হাজার ৯৯৮ ডলার।


ফিফা তাদের এই রিসেল বা বিনিময় প্ল্যাটফর্মে টিকিটের দাম নিয়ন্ত্রণ করে না, অর্থাৎ বিক্রেতা ইচ্ছেমতো দাম হাঁকাতে পারেন। 


তবে প্রতিটি লেনদেন থেকে বড় অঙ্কের লভ্যাংশ পায় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রে ক্রেতার কাছ থেকে ১৫ শতাংশ এবং বিক্রেতার কাছ থেকে ১৫ শতাংশ কমিশন নিয়ে থাকে ফিফা। 


সে হিসাবে, এ চারটি টিকিট যদি নির্ধারিত দামে বিক্রি হয়, তবে শুধু কমিশন বাবদই ফিফার পকেটে যাবে প্রায় ২৬ লাখ ৯৯ হাজার ডলার বা ৩৩ কোটি টাকার বেশি।


ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য টেলিগ্রাফ’ জানিয়েছে, ফাইনাল ম্যাচ ঘিরে টিকিটের বাজারে অস্থিরতা গত শুক্রবার সকালেও দেখা গেছে। এদিন গ্যালারির অন্যান্য আসনের টিকিটও বিক্রি হয়েছে কয়েক লাখ পাউন্ডে। এমনকি সবচেয়ে কম দামি টিকিটের জন্য গুনতে হচ্ছে ১০ হাজার ৯২৩ মার্কিন ডলার বা প্রায় ১৩ লাখ টাকা।


ফিফার দাবি, বিশ্বকাপ থেকে আসা আয় তারা ফুটবলের উন্নয়নের জন্য ২১১টি সদস্যদেশের পেছনে ব্যয় করে। 


গত বুধবার নিজেদের ওয়েবসাইটে সরাসরি বিক্রির জন্য নতুন ব্লকের কিছু টিকিট ছেড়েছে ফিফা, যেখানে ফাইনাল ম্যাচে টিকিটের দাম ধরা হয়েছে ১০ হাজার ৯৯০ ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৩ লাখ ৪৮ হাজার টাকা)।


এ ছাড়া আগামী ১৪ জুলাই টেক্সাসের আর্লিংটনে সেমিফাইনালের টিকিট ১১ হাজার ১৩০ ডলারে এবং ১৫ জুলাই আটলান্টার সেমিফাইনাল ম্যাচের টিকিট ৯ হাজার ৬৬০ ও ৪ হাজার ৩৬০ ডলারে বিক্রি করছে ফিফা।


বিশ্বকাপ দেখার এই অস্বাভাবিক খরচ নিয়ে গত শুক্রবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ম্যানচেস্টার সিটি কোচ পেপ গার্দিওলা, ‘আমার মনে আছে, কয়েক বছর আগেও বিশ্বকাপ মানেই ছিল ফুটবল নিয়ে এক আনন্দ উৎসব। নিজের দেশকে সমর্থন দিতে সারা বিশ্ব থেকে সাধারণ মানুষ সেখানে যেত এবং সেটা তাদের নাগালের মধ্যেই ছিল। কিন্তু আধুনিক যুগে এটি ভীষণ ব্যয়বহুল হয়ে পড়েছে।’


গার্দিওলা আরও বলেন, ‘আমি যেহেতু সেখানে (ফিফায়) নেই, তাই সঠিক কারণ আমার জানা নেই। তবে আশা করব, তারা বিষয়টি নিয়ে নতুন করে ভাববে। ফুটবল মূলত দর্শকদের জন্যই। অবশ্যই স্পনসর বা অন্যান্য বাণিজ্যিক দিকের কথা ভাবতে হবে, নয়তো এটি টিকিয়ে রাখা যাবে না, সবাই সেটা জানে। কিন্তু এই ব্যবসা সচল রাখার মূল চাবিকাঠি হলো সাধারণ ফুটবলপ্রেমীরা।’


টেলিগ্রাফের মতে, ফাইনালে টিকিটের আকাশচুম্বী দাম মূলত ২০২৬ বিশ্বকাপ ঘিরে চলমান বিশাল এক ‘লুটতরাজ’-এর খণ্ডচিত্র। ফুটবলপ্রেমীদের পকেট কাটার এ মহোৎসবে আরও কী কী ঘটছে, সেসব নিয়ে বিস্তারিত অনুসন্ধানে নেমেছে ‘টেলিগ্রাফ স্পোর্টস’।


বড় সংকটে ইনফান্তিনো


ফিফার প্রেসিডেন্ট হিসেবে সম্ভবত এটাই সবচেয়ে সংকট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর জন্য। বিশ্বকাপে টিকিটের দাম ৮ হাজার ৬৮০ ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার খবর প্রকাশের পর জটিল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।


টিকিটের এমন অস্বাভাবিক মূল্য নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছে বিভিন্ন ফুটবল-সমর্থক গোষ্ঠী। ব্যাপারটা আরও গুরুতর হয়ে ওঠার আগেই বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে ফিফা। 


তারা ঘোষণা করে, জাতীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনগুলোর মাধ্যমে অতি সীমিতসংখ্যক টিকিট মাত্র ৬০ ডলারে বণ্টন করা হবে, যা কেবল দলগুলোর সবচেয়ে অনুগত বা নিয়মিত সমর্থকেরাই পাবেন।


টিকিটের এই মাত্রাতিরিক্ত দামের পেছনে বড় কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে ফিফার ‘ডায়নামিক প্রাইসিং’ বা পরিবর্তনশীল মূল্যপদ্ধতিকে। মূলত এই পদ্ধতির কারণেই চলতি মাসে ফাইনাল ম্যাচের সবচেয়ে দামি টিকিটগুলোর মূল্য আকাশচুম্বী হয়ে পড়েছে।


ফিফার অনুমোদনেই টিকিটের কালোবাজারি


নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি দামে বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রির সুযোগ করে দিয়ে নতুন এক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে ফিফা। মূলত সংস্থাটির এ সিদ্ধান্তের কারণেই তাদের নিজস্ব ‘রিসেল’ বা পুনর্বিক্রয় সাইটে বিশ্বকাপ ফাইনালের মাত্র চারটি টিকিটের দাম (একেকটি ২৩ লাখ ডলার) এত বেড়েছে।


বিষয়টিকে আরও জটিল করে তুলেছে ফিফার কমিশন-বাণিজ্য। 


তবে নিজস্ব টিকিটের উচ্চ মূল্য, ডায়নামিক প্রাইসিং এবং এই পুনর্বিক্রয় পদ্ধতি নিয়ে ফিফার আত্মপক্ষ সমর্থনও বেশ জোরালো। তাদের দাবি, এখান থেকে অর্জিত নিট মুনাফা বিশ্বব্যাপী ফুটবলের উন্নয়নেই পুনর্নিয়োগ করা হবে।


হোটেল ভাড়া বেড়েছে চার গুণ


বিশ্বকাপের সময়সূচি চূড়ান্ত হওয়ার পরপরই যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর হোটেলগুলোতে কক্ষভাড়া কয়েক শ ডলার বেড়েছে। দেখা গেছে, আয়োজক ১৬টি শহরে উদ্বোধনী ম্যাচগুলোর দিন আবাসন খরচ গড়ে চার গুণ বেড়েছে। মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা উদ্বোধনী ম্যাচের সময় একটি হোটেলের কক্ষভাড়া যেখানে গত মে মাসের শেষে ছিল মাত্র ১৫৭ ডলার, এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৮৮২ ডলারে (প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা)।


ট্রেনভাড়া ১৩ ডলার থেকে বেড়ে ১৫০ ডলার


পেন স্টেশন থেকে মেটলাইফ স্টেডিয়াম- উড়োজাহাজে নয়, মাত্র ৩০ মিনিটের এই ট্রেনভ্রমণের টিকিটের দাম হাঁকা হচ্ছে ১৫০ ডলারের বেশি। যেখানে যাতায়াতের স্বাভাবিক খরচ ১২ ডলার ৯০ সেন্ট, সেখানে বিশ্বকাপের সময় তা প্রায় ১২ গুণ বাড়িয়ে দেওয়ায় খোদ ফিফাই নিউ জার্সি ট্রানজিটের বিরুদ্ধে ‘লুটতরাজের’ অভিযোগ তুলেছে। যদিও ফিফার এমন অবস্থানকে ‘স্পর্ধা’ হিসেবেই দেখছেন অনেকে।


নিউ জার্সির গভর্নর মাইকি শেরিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘আমরা এমন এক চুক্তি পেয়েছি, যেখানে ফিফা বিশ্বকাপের পরিবহন খাতে এক পয়সাও দিচ্ছে না। সমর্থকদের নিরাপদে আনা-নেওয়ার জন্য নিউ জার্সি ট্রানজিটকে ৪ কোটি ৮০ লাখ ডলারের বিশাল বিল মেটাতে হচ্ছে, সেখানে ফিফা আয় করছে ১১০০ কোটি ডলার। আমাদের সাধারণ যাত্রীদের ওপর আমি এই ঋণের বোঝা চাপিয়ে দিতে পারি না। ফিফার উচিত যাতায়াত খরচ বহন করা।’


পরিবহন খরচের এই ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে অন্য শহরগুলোতেও। বোস্টনের উপকণ্ঠে জিলেট স্টেডিয়ামে ম্যাচ চলাকালে ট্রেনের টিকিটের দাম পড়বে ৮০ ডলার এবং কোচের টিকিটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৫ ডলার।


স্টেডিয়ামে পার্কিং খরচ ২২৫ ডলার


যাঁরা ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে খেলা দেখতে যাওয়ার কথা ভাবছেন, তাঁদের পকেটও ভালোই কাটা পড়বে। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে একটি গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য গুনতে হবে ২২৫ ডলার (প্রায় ২৭ হাজার টাকা)। পিছিয়ে নেই বোস্টনের জিলেট স্টেডিয়ামও, সেখানে একটি গাড়ির পার্কিং খরচ ধরা হয়েছে ১৭৫ ডলার।


ফ্যান জোনে ঢুকতেও খরচ করতে হবে


টিকিটের অস্বাভাবিক দাম ও যাতায়াত খরচের পর যুক্ত হয়েছে ফ্যান জোনে প্রবেশমূল্য। সাধারণত বিশ্বকাপের ফ্যান জোনগুলো উন্মুক্ত থাকলেও এবার নিউ জার্সিতে তা হচ্ছে না। গত ডিসেম্বরেই এ নিয়ে শুরু হয় নতুন বিতর্ক। 


জানা গেছে, সেখানকার ফ্যান জোনে ঢুকতে সাধারণ মানুষকে টিকিট কাটতে হবে। টিকিটমাস্টার ওয়েবসাইটে এ টিকিটের দাম ধরা হয়েছে ১২ ডলার ৫০ সেন্ট।



সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ২২ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৬:২৬ পিএম

বিশ্ব ফুটবলের দুই পরাশক্তি স্পেন ও আর্জেন্টিনা আবারও মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বহুল প্রতীক্ষিত ‘ফিনালিসিমা’ ম্যাচটি চলতি বছরের শেষ দিকে অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানিয়েছে ইএসপিএন আর্জেন্টিনার জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মার্টিন আরেভালো।


ফিনালিসিমা হলো ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন (উয়েফা ইউরো বিজয়ী) ও দক্ষিণ আমেরিকার চ্যাম্পিয়ন (কোপা আমেরিকা বিজয়ী) দলের মধ্যকার আন্তঃমহাদেশীয় শিরোপা লড়াই। 


সর্বশেষ ২০২২ সালে লন্ডনের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ইতালিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল আর্জেন্টিনা।


মূল পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬ বিশ্বকাপের আগে স্পেন ও আর্জেন্টিনার এই ম্যাচটি কাতারের লুসাইল স্টেডিয়ামে আয়োজনের কথা ছিল। তবে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে ম্যাচটি স্থগিত করা হয়। পরে মাদ্রিদের সান্তিয়াগো বার্নাবেউ স্টেডিয়াম কিংবা দুই দেশের হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে ভিত্তিতে ম্যাচ আয়োজনের বিকল্প প্রস্তাব এলেও কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি।


তবে মার্টিন আরেভালোর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ম্যাচটি ২০২৬ সালের নভেম্বর মাসে কাতারের লুসাইল স্টেডিয়ামে আয়োজনের বিষয়ে নতুন করে অগ্রগতি হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কাতার সরকার ইতোমধ্যে ম্যাচটি আয়োজনের স্বত্ব পেয়েছে।


যদিও এ বিষয়ে এখনো উয়েফা কিংবা কনমেবলের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি, তবুও প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।


উল্লেখ্য, ফিনালিসিমা স্থগিত হওয়ায় ভাগ্যের পরিহাসে দুই দল ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালেই মুখোমুখি হয়েছিল। সেই ম্যাচে অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে ফেরান তোরেসের করা একমাত্র গোলে আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা জেতে স্পেন। ম্যাচে এর কিছুক্ষণ আগে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন আর্জেন্টিনার এনজো ফার্নান্দেজ, ফলে শেষ সময়ে ১০ জনের দলে পরিণত হয় আর্জেন্টিনা।


বিশ্বকাপ ফাইনালের সেই হারের পর সম্ভাব্য ফিনালিসিমা ম্যাচটি আর্জেন্টিনার জন্য প্রতিশোধের সুযোগ হয়ে উঠতে পারে। অন্যদিকে স্পেন চাইবে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হিসেবে নিজেদের আধিপত্য আরও একবার প্রমাণ করতে।


সূত্র: ওয়ার্ল্ড সকার টক 

সর্বশেষ সব খবর

সংগৃহীত ছবি

  • প্রকাশ : বুধবার ২২ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৫:৩৬ পিএম

ফাইনালের আগে আর্জেন্টিনার ড্রেসিংরুমে কী ঘটেছিল? কেন লিওনেল মেসি ড্রেসিংরুম থেকে বের হওয়ার সময় সতীর্থদের সবকিছু ভুলে যেতে বলেছিলেন? সামাজিক মাধ্যমে ভেসে বেড়ানো একটি ভিডিওতে মেসির বলা কথায় এসব প্রশ্নের উদ্রেক করছে ফুটবলপ্রেমীদের মনে। যা নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। আর্জেন্টাইন সমর্থকদের শঙ্কা ড্রেসিংরুমে অবশ্যই কিছু একটা হয়েছিল। যার প্রভাব মাঠে পড়েছিল বলেই তাদের বিশ্বাস। না হলে পুরো টুর্নামেন্টে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লেখা দলটি ফাইনালে নির্ধারিত ৯০ মিনিটে প্রতিপক্ষের পোস্টে একটি শটও নিতে পারবে না? আর্জেন্টাইন গণমাধ্যমগুলো এ নিয়ে প্রতিবেদন করেছে। 


টিওয়াইসি স্পোর্টস জানিয়েছে, ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, আর্জেন্টিনা অধিনায়ক ড্রেসিংরুম থেকে বের হওয়ার সময় সতীর্থদের বলছেন, ‘সবাই শান্ত হও। আসল বিষয় হলো আমাদের শান্ত থাকতে হবে।’ এ পর্যন্ত সব ঠিকই ছিল। আলোড়ন তুলেছে মেসির পরের কথাগুলো, ‘এসো সবকিছু ভুলে যাই। আমরা শুধু খেলি। চলো শুধু খেলায় মন দিই।’ ভিডিওতে দেখা গেছে, ড্রেসিংরুমের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে মেসি কথাগুলো বলার সময় তাঁর সতীর্থরা সবাই শান্ত ছিল। প্রশ্নটা এখানেই, মেসি কী ভুলে যেতে বলছিলেন তখন?


৩৯ বছর বয়সী এ ফুটবলার কী ইঙ্গিত করেছিলেন, তা স্পষ্ট না হলেও ফাইনালের আগে সমালোচনার মুখে পড়েছিল আর্জেন্টিনা দল। প্রতিপক্ষ স্পেন তাদের বিরুদ্ধে রেফারির কাছ থেকে বাড়তি সুবিধা পাওয়ার অভিযোগ তোলে। এসব নিয়ে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) প্রেসিডেন্ট ক্লডিও তাপিয়া এবং কনমেবল প্রেসিডেন্ট আলেজান্দ্রো ডমিঙ্গেজ মেসি-মার্তিনেজদের কিছু বলেছেন কিনা, তা নিয়ে একটা শঙ্কা রয়েছে।


আর্জেন্টাইন গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ফাইনাল শুরুর আগে এ দুজনকে আর্জেন্টিনার ড্রেসিংরুমে প্রবেশ করতে দেখা গেছে।


আর ফাইনালের আগে স্পেনের ডিফেন্ডার আইমেরিক লাপোর্তে বলেছিলেন, ‘সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোতে রেফারিং নিয়ে এমন কিছু ঘটনা দেখেছি, যা সত্যিই বিস্মিত করেছে। কিছু ঘটনায় কোনো শাস্তিই দেওয়া হয়নি, বিশেষ করে আর্জেন্টিনার ক্ষেত্রে। তারা প্রতিপক্ষের ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি করে। ফুটবলে, বিশেষ করে এত বড় প্রতিযোগিতায় এসব কখনও অনুমোদন করা উচিত নয়। কারণ, এতে প্রতিপক্ষের মনোযোগ নষ্ট হয় এবং হতাশা তৈরি হয়।’ 


নিউইয়র্কের ফাইনালে ১-০ গোলে জিতে ১৬ বছর পর আবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন। অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেস জয়সূচক গোলটি করেন। ফাইনালে রেফারিং নিয়ে তেমন বিতর্ক না হলেও শেষ বাঁশির পর আর্জেন্টিনার কয়েকজন খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফের সঙ্গে স্পেনের খেলোয়াড়দের সংঘর্ষ বাধে। এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার তদন্তে নেমেছে ফিফা।  

 

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২১ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১২:৫২ পিএম

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ জয়ের পর বিশ্বজুড়ে উদযাপনের কোনো কমতি রাখেননি স্পেনের ভক্তরা। নানা স্লোগানে, গানে ও পতাকা হাতে তারা নেমে আসেন রাস্তায়। তবে এই উদযাপনের মধ্যেও তারা ভুলে যাননি ফিলিস্তিনকে। বিশ্বের বহু স্থানে তাদের হাতে স্পেনের পতাকার পাশাপাশি ছিল ফিলিস্তিনের পতাকাও। অনেকে উদযাপনের মধ্যেই স্লোগান দেন– ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’। একবারে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ার থেকে শুরু করে ব্রাসেলস, বার্সেলোনার মতো ইউরোপীয় শহরগুলোতেও স্পেন ভক্তদের উদযাপনে দেখা গেছে ফিলিস্তিনের উপস্থিতি। 


অন্যদিকে আরব বিশ্ব তো স্পেনের সমর্থনে গলা মিলিয়েছেই। যে ফিলিস্তিন ও ফিলিস্তিনিদের নিয়ে এত জোর আলোচনা, গতকাল তাদের চোখও ছিল পর্দায়। যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় তারাও দেখেছেন স্পেনের বিজয়; উল্লাসে ও উদযাপনে ফেটে পড়েন তারাও।


নিউইয়র্ক

স্পেনের বিজয়ের পর দলটির ভক্তরা চলে এসেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারের রাস্তায়। এ সময় তাদের হাতে দেখা যায় ফিলিস্তিনের পতাকা। তারা উদযাপনের ফাঁকেই স্লোগান দিতে শুরু করেন ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’। এরই মধ্যে ওই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হয়ে গেছে সামাজিক মাধ্যমে। বহু মানুষ সাধুবাদ জানাতে ভোলেননি তাদের।


বিশ্বের বহু নিরপেক্ষ ব্যক্তি ও মানবাধিকার সমর্থকের জন্য স্পেন ভিন্ন অর্থ বহন করছে। তাদের কাছে এটি ফিলিস্তিনিদের অধিকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত। স্পেনের ফিলিস্তিনকে সমর্থন দেওয়ার বিষয়টি নজর কেড়েছে তাদের। আর এ কারণেই এই উন্মাদনা।


ব্রাসেলস

বেলজিয়ামের ব্রাসেলসের রাস্তায়ও নেমে এসেছিলেন ভক্তরা। আনাদোলু এজেন্সির এক ভিডিওতে দেখা যায়, শহরের রাস্তার মোড়ে জড়ো হয়েছেন বহু ভক্ত। আর ওই মোড়ে থাকা এক ভবনের বারান্দায় দাঁড়িয়ে ফিলিস্তিনি বড় পতাকা নাড়ছেন এক তরুণ।


শুধু ওই এক স্থানে নয়; ব্রাসেলসের আরও বেশ কয়েকটি জায়গায় স্পেনের জয় উদযাপনের ফাঁকে উড়তে দেখা গেছে ফিলিস্তিনের পতাকা। কাউকে দেখা গেছে জয়ের আনন্দে চিৎকার করতে করতেই সে পতাকা নাড়তে। কাউকে আবার দেখা যায় স্পেন ও ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে লোহার সীমানার ওপর উঠে যেতে। শুধু পুরুষ নয়, নারীদের হাতেও ছিল ফিলিস্তিনের পতাকা।


বার্সেলোনা

স্পেনের ভেতরেও বিজয় উদযাপনে ফিলিস্তিনের পতাকার উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। শহরটিতে হাজারো মানুষের ভিড়ে এক প্ল্যাটফর্মের ওপর দাঁড়ানো একগুচ্ছ তরুণকে দেখা যায় ফিলিস্তিনি ও স্পেনের পতাকা নেড়ে সবাইকে দেখাতে, যেন ভ্রাতৃত্ববোধের এক অনন্য নজির স্থাপন করছে তারা।


প্রসঙ্গত, এর আগে স্পেনের তারকা ফুটবলার লামিনে ইয়ামাল লা লিগায় বার্সেলোনার জয়ের পর উদযাপন চলাকালে ফিলিস্তিনের পতাকা নেড়ে আলোচনায় এসেছিলেন।   

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২১ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১১:২২ এএম

আগামী মাসে বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের জন্য ১৩ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে অস্ট্রেলিয়া। দলে ফিরেছেন অধিনায়ক প্যাট কামিন্স, জশ হ্যাজলউড ও নাথান লায়ন। সর্বশেষ অ্যাশেজে চোটের কারণে এই তিন অভিজ্ঞ বোলার নিয়মিত খেলতে পারেননি। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট থেকে সেরে ওঠার সময় অ্যাকিলিসে চোট পেয়ে পুরো অ্যাশেজ মিস করেন হ্যাজলউড। অ্যাডিলেডে তৃতীয় টেস্টে হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পাওয়ায় অস্ত্রোপচার করাতে হয় লায়নকে।


কামিন্স খেলেছিলেন শুধু অ্যাডিলেড টেস্টে। সেটিই ছিল পিঠের নিচের অংশের চোট কাটিয়ে তাঁর প্রত্যাবর্তনের ম্যাচ। অস্ট্রেলিয়ার অ্যাশেজ ধরে রাখা নিশ্চিত হওয়ায় পরের দুই টেস্টেও তাঁকে বিশ্রাম দেওয়া হয়।


কামিন্স ও হ্যাজলউড খেলতে পারেননি টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপেও। যদিও দুজনই মাঠে ফেরেন টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের পর শুরু হওয়া আইপিএলে। কামিন্সরা ফেরায় দল থেকে বাদ পড়েছেন মাইকেল নেসার ও ব্রেন্ডন ডগেট।


কামিন্স ও হ্যাজলউডের পেস বোলিং বিভাগে আরও আছেন মিচেল স্টার্ক ও স্কট বোল্যান্ড। এ ছাড়া পেস বোলিং অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিন ও বো ওয়েবস্টারও একাদশে জায়গা পাওয়ার দৌড়ে থাকবেন।


টপ অর্ডারে কোনো পরিবর্তন আনেনি অস্ট্রেলিয়া। অ্যাশেজে অভিষিক্তি জেক ওয়েদারাল্ডের ওপরই আস্থা রেখেছে দল। তাঁরই ট্রাভিস হেডের সঙ্গে ইনিংস উদ্বোধন করার কথা। ছন্দে না থাকলেও মারনাস লাবুশেনকে দলে রেখেছে অস্ট্রেলিয়া।


আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হিসেবে এই দুই টেস্ট হবে ডারউইন (১৩-১৭ আগস্ট) ও ম্যাকাইয়ে (২২-২৬ আগস্ট)। বর্তমানে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। আট ম্যাচে সাত জয় নিয়ে তাদের পয়েন্ট ৮৭.৫০।

সর্বশেষ সব খবর

লিওনেল মেসি

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২১ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১১:১৩ এএম

বিশ্বকাপের ফাইনালে হারের পর সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে গতকাল একটি বার্তা দিয়েছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। গত রোববার ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে ১-০ গোলে হারে আর্জেন্টিনা।


নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডলে স্প্যানিশ ভাষায় একটি পোস্ট করেন মেসি, ‘কষ্টটা অনেক বেশি এবং এই ক্ষত শুকাতে সময় লাগবে। তবে ভালো লাগার বিষয়গুলোকেও আমি লালন করছি। আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর ম্যাচগুলো, মাঠে নিজেদের উজাড় করে দেওয়া, যা চিরকাল স্মৃতিতে থেকে যাবে। পুরো দেশের সমর্থন, যা এই দলটির কঠোর পরিশ্রম ও চেষ্টার সঙ্গে যুক্ত হয়ে আমাদের আবারও বিশ্বের সেরাদের কাতারে নিয়ে গেছে।’


পোস্টে আরও লেখা হয়, ‘প্রতিটি শুভেচ্ছা ও বার্তার জন্য হৃদয় নিংড়ানো ধন্যবাদ। আরও একবার আমরা এক হয়ে দেশকে একসুতোয় গাঁথতে পেরেছি, আর্জেন্টাইন হওয়ার অসীম গর্ব ভাগাভাগি করে নিতে পেরেছি। একই সঙ্গে চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় স্পেনকেও অভিনন্দন।’


আর্জেন্টিনার হয়ে ২০২১ ও ২০২৪ কোপা আমেরিকা জিতেছেন মেসি। এর মাঝে জিতেছেন ২০২২ বিশ্বকাপ। এবার বিশ্বকাপে মেসি ৮ গোল ও ৪টি অ্যাসিস্ট করলেও ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে হারতে হয়।


জাতীয় দলে অসামান্য অবদানের জন্য গত রোববার আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সভাপতি ক্লদিও তাপিয়া মেসিকে প্রশংসায় ভাসান। ফাইনালের ভেন্যু মেটলাইফ স্টেডিয়ামে মেসির একটি ছবি পোস্ট করে লেখা হয়, ‘এই গল্প অমর হয়ে থাকবে। অধিনায়ক, তুমি আমাদের যা কিছু দিয়েছ, সে জন্য কৃতজ্ঞতা জানানোর মতো কোনো শব্দ অভিধানে নেই। তোমার খেলা, মাঠ ও মাঠের বাইরে অনন্য নেতৃত্ব এবং শেষ সেকেন্ড পর্যন্ত লড়াইয়ের স্বপ্ন দেখতে শেখানোর জন্য পুরো এক জাতির পক্ষ থেকে ধন্যবাদ।’


তাপিয়ার পোস্টে আরও লেখা হয়, ‘আমাদের হৃদয়ে আনন্দ আর অনুভূতির প্রতিটি মুহূর্ত এঁকে দেওয়ার জন্য, প্রতিটি গর্বের অশ্রুর জন্য এবং আমাদের পতাকাকে বিশ্বের সর্বোচ্চ চূড়ায় তুলে ধরার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ। লিও, তুমি অমর। তুমি মহানায়ক। তুমি আমাদের বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশে পরিণত করেছ। আর এই ঘর—তোমার নিজের ঘর—তোমাকে ভালোবেসে যাবে চিরকাল। অনেক ধন্যবাদ। তুমি চিরকাল আমাদেরই।’


আর্জেন্টিনা দলের বিশ্বকাপ অভিযান উদ্‌যাপনে জাতীয় ছুটির দিন ঘোষণা করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই। ছুটিটি কোন দিন হবে, তা বেছে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে আর্জেন্টিনা দলকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা পোস্টে এ ঘোষণা দেন মিলেই।

























































































































































































































সর্বশেষ সব খবর

আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি

  • প্রকাশ : সোমবার ২০ জুলাই, ২০২৬, সময় : ২:৫৭ পিএম

২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারের পর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত দিয়েছেন আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি। ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি, এমনকি কান্নায় ভেঙে পড়ে মাঝপথেই শেষ করেন সংবাদ সম্মেলন।


স্কালোনি জানান, আপাতত ডিসেম্বর পর্যন্ত চুক্তির দায়িত্ব পালন করবেন, এরপর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। আর্জেন্টিনা কোচ বলেন, ‘ডিসেম্বর পর্যন্ত আমার চুক্তি পূরণ করব। এরপর কী হবে, সেটা দেখব।’


এরপর দীর্ঘদিনের সফল যাত্রার কথা স্মরণ করে আবেগঘন কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘আমি কখনো কল্পনাও করিনি যে এই অবস্থানে পৌঁছাব। সামনে এগিয়ে যেতে অনেক কিছু দরকার। আবার নতুন করে শুরু করতে হবে, নতুন একটি দল গড়তে হবে। কিন্তু এমন একটি দল, এমন একটি গ্রুপ হয়তো আর কখনো তৈরি হবে না। বিষয়টি আমাকে ভীষণ কষ্ট দিচ্ছে। আমি দুঃখিত।’


এই কথাগুলো বলার পরই আবেগ ধরে রাখতে পারেননি স্কালোনি। চোখের পানি সামলাতে না পেরে সংবাদ সম্মেলন মাঝপথেই শেষ করে উঠে যান তিনি।


২০২২ কোপা আমেরিকা, ২০২২ ফিনালিসিমা, ২০২২ বিশ্বকাপ এবং ২০২৪ কোপা আমেরিকার শিরোপা জয়ী এই কোচের এমন মন্তব্য আর্জেন্টিনা ফুটবলে তার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন জল্পনার জন্ম দিয়েছে। এখন ডিসেম্বরের পর তিনি দায়িত্বে থাকবেন কি না, সেটিই বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সর্বশেষ সব খবর